গুরুদাসপুরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার সময় গ্রেফতার নাজমুল হাসান সেপিন। ছবি : নাটোরভিউ২৪
গুরুদাসপুরে খাদ্য কর্মকর্তার (ওসি এলএসডি) কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার সময় নাজমুল হাসান সেপিন নামে এক চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতার নাজমুল হাসান উপজেলার খামার নাচকৈড় এলাকার পশু হাসপাতালের কর্মচারী মকবুল হোসেনের ছেলে।
রোববার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে নিজেকে এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে উপজেলা ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে ডিসি ও এসপি স্যারের বাজার খরচের কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পূর্বে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এনএসআই কর্মকর্তারা সেনাবাহিনীর টহল দলের সহায়তায় তাকে গুরুদাসপুর মডেল মসজিদ এলাকায় চাঁদার টাকা গ্রহণকালে হাতে-নাতে গ্রেফতার করেন।
ওই চাঁদাবাজ দুদকের ভুঁয়া চিঠি দেখিয়ে ভুয়া মোবাইল নম্বর দিয়ে ওই চাঁদা দাবি করে।
গুরুদাসপুর ওসি এলএসডি আমিনুল ইসলাম জানান, সপ্তাহ খানেক আগে তার বিরুদ্ধে দুদকের দুর্নীতির অভিযোগ আছে বলে ভয়ভীতি দেখান। ঘটনাটি জেলা অফিসকে জানান।
জেলা অফিসের প্রধান সহকারী জুলহাস উদ্দিন বলেন, গুরুদাসপুর ওসি এলএসডি আমিনুল ইসলাম বিষয়টি জানালে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে এনএসআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শে তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি দুদকের ভুঁয়া চিঠি মোবাইলে ফোনে পাঠিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। গোয়েন্দা ফাঁদ পেতে তাকে ধরা হয়।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসমাউল হক বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে জেলা খাদ্য অফিসের প্রধান সহকারী জুলহাস উদ্দিন বাদী হয়ে চাঁদাবাজি মামলা করেছে। আটক নাজমুল ইসলাম সেপিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
