পৃথিবীর মানচিত্র থেকে বিলীন হওয়া যুগোস্লোভিয়া রূপ নিয়েছে সার্বিয়ায়। সেখানে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা দানিউব-সাভার শেষ না হওয়া সৌন্দর্য। আধুনিক স্থাপত্য আর হাজার বছরের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে নতুন উপজীব্য সার্বিয়ান তরুণী। তার উজ্জ্বল চোখের ঘরোয়া টোটকায় রোমান্সের হৃদয় ছোঁয়া না ছোঁয়ার গল্প। ঠিক প্রেম নয়, প্রেমের চেয়ে কম কিছুও নয়। এমন গল্প নিয়েই তরুণ লেখক ইমদাদ হক লিখেছেন ‘ সার্বিয়া : শুভ্র শহরের দেশে ’।
বইটির প্রকাশনা উৎসব হয়ে গেল রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি কামাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে উৎসব অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন এসিআই অ্যাগ্রো বিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এফ এইচ আনসারী।
ভ্রমণবিষয়ক বইটির ওপর আলোচনা করেছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ইকতিয়ার চৌধুরী এবং বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব সাধনা আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন লেখক ইমদাদ হক। এ ছাড়া প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অন্য প্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলামও বক্তব্য দেন।
‘সার্বিয়া : শুভ্র শহরের দেশে’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে অতিথিরা।
আমাদের প্রকাশনা পাঠকমুখী নয়
বক্তারা বলেন, তরুণ এই লেখকের বইটিতে সহজ সরল ভাষায় উঠে এসেছে সার্বিয়ার ইতিহাস, ঐতিহ্য, অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষাব্যবস্থা, খেলাধুলাসহ আরও অনেক কিছু।
এটি ইমদাদ হকের দ্বিতীয় বই। তার প্রথম বই ‘ক্যাম্পাস রিপোর্টিং : সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি’। বই দুটি রকমারিতে পাওয়া যাচ্ছে। ইমদাদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব হার্ডাসফিল্ডের যৌথ ফেলোশিপ নিয়ে ডিপ্লোমা করেছেন ইয়্যুথ ডেভেলপমেন্টে বিষয়ে।
বর্তমানে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে মাস্টার্স ইন অন্ট্রাপ্রিনিউরশিপে পড়ছেন ইমদাদ হক। এ ছাড়া তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করছেন।
