চাকরি দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গুরুদাসপুরে সংবাদ সম্মেলন। ছবি : নাটোরভিউ২৪
চাকরি দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন- গুরুদাসপুরের ঝাউপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আব্দুল গণি মিয়া ও তার ছেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কথিত এডি আব্দুল মোনায়েম।
শনিবার দুুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ওই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তৃতা করেন ভুক্তভোগী উপজেলার বিয়াঘাট গ্রামের নাজিম উদ্দিন, শিক্ষক (অব.) আব্দুর রশিদ, বাহারুল ইসলাম ও মসজিদের ইমাম মাওলানা ইউনুস আলী।
ভুক্তভোগী নাজিম বলেন- ‘২০২৪ সালে তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক (এডি) পদে চাকরি দেয়ার নাম করে ৩০ লাখ টাকা নেন মোনায়েম। প্রদেয় টাকার পরিবর্র্তে আব্দুল গণি তার নীজ নামীয় ব্যাংকের চেক প্রদান করেন।
এদিকে চাঁচকৈড় মধ্যমপাড়া মহল্লার মাওলানা ইউনুস আলীকেও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ফিল্ড অফিসার পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। চাঁচকৈড় বাজারের কাজী আব্দুল্লাহকে ব্যাংক থেকে বড় অংকের লোন পাইয়ে দেয়ার কথা বলেও ৯৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।
অভিযোগে আরও জানা যায়, উপজেলার শিকারপুুর বাহাদুরপাড়ার মাওলানা আব্দুল বারীর ছেলে বাহারল ইসলামের কাছ থেকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেন প্রতারণা করেন। বাহারুলকে ইসলামী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার পদে চাকরি দেয়ার কথা ছিল। প্রতারক গণি তার বন্ধু আব্দুর রশিদকেও ছাড়েননি। ১৬ বছর আগে জমি রেজিস্ট্রির সময় বিপদে পড়ে ৭৫ হাজার টাকা ধার নেন গণি। সেই টাকা আজও দেননি।
চাঁচকৈড় বাজারের মুুদি দোকানী মিঠু প্রামাণিক বলেন- ‘মাদ্রাসার সুপার ও তার ছেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পরিচয় দিয়ে আমাকে লোন দিতে চান।’
অভিযুক্ত মোনায়েম জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। চেকের বিষয়টি মাদ্রাসার সমিতি সংক্রান্ত। মিথ্যে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের ভাবমুর্তি নষ্ট করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আব্দুল গণিকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।
