লালপুরে পদ্মার চরে চীনা বাদামের বাম্পার ফলন


লালপুর

লালপুর প্রতিনিধি

(৯ মাস আগে) ১৮ জুন ২০২৫, বুধবার, ৮:১৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৬:৩৬ অপরাহ্ন

natoreview

লালপুরে পদ্মার চরে চীনা বাদামের বাম্পার ফলনে কৃষক খুশি। ছবি : নাটোরভিউ২৪

লালপুরে পদ্মার চরে চাষ করা পুষ্টিকর চিনাবাদাম খেতের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন বুনছেন পদ্মার চরাঞ্চলের কৃষকরা।  এ বছর ফলন ভালো হওয়ার কৃষকদের চোখে মুখে ফুটে উঠছে আশার প্রদীপ।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে এবছর পদ্মার চরাঞ্চলে ৪৬০ হেক্টর জমিতে চিনাবাদামের আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য জাত চিনাবাদাম ৬, বিনা চিনা বাদাম ৮, এবং বারি চীনা বাদাম ৮ আবাদ বেশি হয়েছে। চীনা বাদামের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রবি ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রণোদনার আওতায় কৃষি বিভাগ হতে ২০০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম কুমার হোড় বলেন, এবছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে যা হেক্টর প্রতি প্রায় ১.৯ মেট্রিক টন। এবছর ভালো ফলন হওয়ায় আগামী মৌসুমে চিনাবাদামের আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করছি।

সরেজমিনে উপজেলার বিলমাড়ীয়া, লালপুর, দুড়দুড়িয়া ও ঈশ্বরদী ইউনিয়নের পদ্মার চর ঘুরে দেখা যায় তীব্র রোদ ও গরম উপেক্ষা করে বাদাম তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা। বিশাল অঞ্চল জুড়ে সারি সারি চীনা বাদাম ক্ষেত দেখে মন জুড়িয়ে যায়।

পানসিপাড়া গ্রামের বাদাম চাষি বেলাল মন্ডল বলেন, বাদাম চাষে বাড়তি কোনো কীটনাশক বা যত্নের প্রয়োজন হয়না, আমি এবার ৫ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি ফলনও ভালো হয়েছে আশা করি এবার বাজার দর ভালো পাবো।

আশরাফুল ইসলাম, আসলাম উদ্দিন খামারুসহ একাধিক বাদাম চাষি বলেন, আমাদের পদ্মার চরের বেলে মাটিতে রবি মৌসুমে অন্যান্য ফসলের তুলনায় বাদামের ফলন ভালো হয়। অন্যান্য ফসলের চেয়ে চীনা বাদাম চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম। তাছাড়া বাদাম এমন একটি ফসল যার চাহিদা থাকে প্রায় সারা বছরই।

লালপুর থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ