নিহত রিকশা চালক কমল দাসের স্বজনের আহাজারি। ছবি : নাটোরভিউ২৪
নাটোরে পুকুর থেকে এক রিকশা চালকের ও অপর বৃদ্ধের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে নাটোরের সদর উপজেলার তেবাড়িয়ার নাটোর চিনিকল এলাকায় পুকুর থেকে রিকশা চালকের লাশ ও ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি নিজ বাড়ির সামনে থেকে এক বৃদ্ধের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশ দুটির উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চ্যলের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া মহল্লার হীরালাল দাসের ছেলে কমল কুমার দাস শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পায়নি স্বজনরা। পরে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেবাড়িয়া ইউনিয়নের নাটোর চিনিকলের পাশের জংলী ঈদগাঁহ মাঠ সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে কমল দাসের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কমল দাসের ভাই অমল কুমার দাস জানান, ‘কমল মাঝে মধ্যে মদ সেবন করতেন। গত রাতে মদ সেবন হয়তো একটু বেশি করে ফেলেছিলো। পরে একা বাড়িতে ফেরার সময় ঈদগাঁহ মাঠের পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে উঠতে না পেরে মারা গেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।’
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি গ্রামে মোতালেব হোসেন নামে এক বৃদ্ধের বাড়ির সামনে থেকে তার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মোতালেব হোসেন একই গ্রামের ইদ্রিস আলী খানের ছেলে। নিহতের ছোট ছেলে চুন্নু আলম জানান, ‘তার বাবা মোতালেব হোসেন নিজেই নিজের গলা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আত্মহত্যা করেছে। কেন এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তা তারা বুঝতে পারছে না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, ঘটনা তদন্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।
