ফারহানা ইয়াসমিন নুপুর
নাটোরে গলা কেটে হত্যা করা অজ্ঞাতনামা তরুণীই গৃহবধূ ফারহানা ইয়াসমিন নুপুর (২০) বলে সনাক্ত করেছেন তার বাবা মো. আজবাহার আলী। সোমবার মধ্যরাতে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে এসে নিজের একমাত্র মেয়ের লাশ সনাক্ত করেন আজবাহার আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদরের পাইকেরদৌল দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা আজবাহার আলীর একমাত্র মেয়ে নুপুরের পাঁচ বছর আগে একই এলাকার শংকরভাগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। ৯মাস আগে নুপুর নিজে নিজেই স্বামীকে তালাক দিয়ে পাশ্ববর্তী বড়ভিটা এলাকার রাজুকে বিয়ে করেন। ১০দিন আগে তিনি বাবার বাড়ি থেকে নতুন স্বামীর বাড়ি যান। সোমবার দুপুরে একই এলাকার একটি পুকুর পাড়ে তৈরি পাহারা দেয়ার ঘরের সামনে এক তরুণীর গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়। সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া লাশের ভিডিও দেখে আজবাহার আলীর সন্দেহ হয়। তিনি মেয়ের মোবাইল ফোনে কল করে ফোন বন্ধ পাওয়ায় স্বজনদের নিয়ে হাসপাতালের মর্গে ছুটে আসেন। এ সময় সবাই লাশটি গৃহবধূ ফারহানা ইয়াসমিন নুপুরের বলে সনাক্ত করেন। তবে কে বা কারা কি কারনে তাকে হত্যা করেছে তা কেউ ধারণা করতে পারছে না।
মঙ্গলবার সকালে নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে গৃহবধূ নুপুরের বাবা মো. আজবাহার আলী বাদী হয়ে নাটোর থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
