সিংড়ার আত্রাই নদীর কতুয়াবাড়ি-মহেশচন্দ্রপুর এলাকায় কোচাল/বাদাই জাল বন্ধ ও বাড়ি ভাঙন রোধে রোববার মানববন্ধন। ছবি : নাটোরভিউ২৪
সিংড়ার আত্রাই নদীর কতুয়াবাড়ি-মহেশচন্দ্রপুর এলাকায় কোচাল/বাদাই জাল বন্ধ ও বাড়ি ভাঙন রোধে মানববন্ধন হয়েছে। রোববার সকাল ৮টায় মহেশচন্দ্রপুর এলাকায় আত্রাই নদীর পাড়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন এলাকার দিনমজুর ও মৎসজীবিরা। এসময় আত্রাই নদীতে প্রকৃত মৎস্যজীবিদের মাছ ধরার সুযোগ সৃষ্টির দাবিও জানানো হয়। আত্রাই নদীর কতুয়াবাড়ি এলাকায় নদী দখল করে অবৈধভাবে কোচাল জালে মাছ শিকারের অভিযোগ স্থানীয় প্রভাবশালী বাখের আলী ও সিদ্দিক আলীর বিরুদ্ধে।
কতুয়াবাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রায় এক মাস ধরে আত্রাই নদীর কতুয়াবাড়ি এলাকায় চারটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে কোচাল জালে মাছ ধরায় অর্ধশতাধিক বাড়ি নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। প্রভাবশালী মহলের কাছে যেন প্রশাসন জিম্মি হয়ে পড়েছে। তাদের দুঃখের কথা শোনার কেহ নেই বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
কতুয়াবাড়ি গ্রামের মৎস্যজীবি রিপন আলী, রেজাউল করিম, শাহাদত হোসেন, শফিকুল ইসলাম সহ অনন্ত পনের জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আত্রাই নদীর কতুয়াবাড়ি এলাকায় অবাধে শ্যালো মেশিনে কোচাল জালে মাছ শিকারে প্রকৃত মৎস্যজীবিরা মাছ ধরতে পারছে না। এতে মৎস্যজীবি ও দিনমজুর সাধারণ মানুষ না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন। নদী পাড়ের অসহায় দিনমজুর কৃষকদের বাড়ি ভেঙ্গে যাচ্ছে। এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে শ্যালো মেশিনের শব্দ দুষণে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করলেও যেন দেখার কেহ নেই। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নদীতে কোচাল জাল ব্যবহার কারীদের সতর্ক করা হয়েছে। দ্রুত অভিযান চালানো হবে বলে জানান তিনি। ইউএনও মাজহারুল ইসলাম বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নিতে মৎস্য অধিদপ্তরকে নির্দেন দিয়েছেন।
