লালপুরে একটি খামারে করবানির জন্য প্রস্তুত গরু। সোমবার তোলা। নাটোরভিউ২৪
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে লালপুরে কোরবানির জন্য প্রান্তিক খামারিরা প্রস্তুত করেছে প্রায় ৭৬ হাজার গবাদিপশু। ভালো দামের আশায় পরম যত্নে লালন-পালন করা স্থানীয় খামারিদের পশু।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, উপজেলায় গবাদিপশুর মধ্যে ষাঁড় ১১ হাজার ৬৩৭টি, বলদ ৪ হাজার ৭৫৫টি, গাভি ১ হাজার ৯২২টি, মহিষ ৫ হাজার ৫৬০টি, ছাগল ৪৬ হাজার ০২টি, ভেড়া ৬ হাজার ২৬৪টি সহ মোট ৭৬ হাজার ১৭৬টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, লালপুরে কোরবানির পশুর চাহিদা ৪১ হাজার ১৩৫টি। এবার কুরবানি যোগ্য পশুর কোনো ঘাটতি নেই। বরং উদ্বৃত্ত রয়েছে ৩৫ হাজার ৪১টি পশু যা এই উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
উপজেলার কেশবপুর গ্রামের খামারী মাজদার রহমানসহ একাধিক খামারি বলেন, এ বছর কোরবানির জন্য আমার খামারে দেশী বিদেশীসহ বিভিন্ন জাতের গরু প্রস্তুত করেছি। এগুলো স্থানীয়ভাবে পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এ ছাড়া বুধপাড়া গ্রামের প্রান্তিক খামারি মাহামুদ হাসান রবিন জানান, এবার গমের ভুষি, খৈল, খড়সহ অন্য খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে গরু পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে খামারিদের। তবে একাধিক খামারির মালিক জানান, চুরি ও ছিনতাইয়ের শংকায় প্রতিনিয়ত আতংকে থাকতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল্লাহ্ বলেন, লালপুরের চাহিদা তুলনায় প্রায় ৩৫ হাজার পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। বাজার স্থিতিশীল থাকলে আশাকরি খামারিরা লাভবান হবেন।
