রোবাবর দুপুরে কুয়াশাচ্ছন্ন নাটোর। ছবি : নাটোরভিউ২৪
ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে বিপর্যস্ত নাটোরের জনজীবন। সকালে শীতের দাপট বেশি থাকায় কষ্ট পাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্য্যের দেখা না মেলায় শীতের দাপট দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।
পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় রাতের হাড় কাঁপানো শীতে কষ্ট পাচ্ছে ছিন্নমূলসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ। পর্যাপ্ত গরম কাপড়ের জন্য সরকারি সহয়তার দাবি জানিয়েছেন খেঠে খাওয়া শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
নাটোর পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা শ্রমজীবী নূর মোহাম্মদ বলেন, কনকনে এশীতে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হলেও যে গরম কাপড় আছে তাতে শীত নিবারণ করা যাচ্ছে।
এনজিও কর্মী মাসুদ রানা বলেন, ঘন কুয়াশা পড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে কাজে বের হওয়াও যাচ্ছে না। শীতের কাপড় পড়ে বাইরে বের হলেও সর্দি কাশি হয়ে যাচ্ছে।
নাটোর হাজরা নাটোর এলাকার বৃদ্ধ জমশের আলী মন্ডল বলেন, ‘শীতে কোন কাজ করে শান্তি পাচ্ছি না। তীব্র শীতে ঘরের মধ্যেই বেশির ভাগ সময় বসে থাকি। হিমেল বাতাসে আরো বেশি ঠান্ডা লাগে। পানি ব্যবহার করতে খুব কষ্ট পাচ্ছি।
একই এলাকার নারী দিনমজুর হাসিনা খাতুন বলেন, ‘শীত দেখে লাভ নাই। কাজ না করলে খাবার জুটবেনা। সংসারও চলবে না। গরীব মানুষ তাই শীতেও কাজ করি, গরমেও কাজ করি।
নাটোর সদর হাসপাতালের তত্ববধায়ক ও সিভিল সার্জন ডা. মোক্তাদির আরেফিন জানান, হাসপাতাল গুলোতে রোগির চাপ স্বাভাবিক আছে। তবে প্রচণ্ড শীতে হাসপাতালে রোগির ভীড় বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সকল প্রস্তুতি নেয়া আছে। সবাইকে গরম কাপড় পরিধান করার পরামর্শ দেন তিনি।
নাটোর জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন জানান, শীত নিবারনের জন্য গরম কাপড় হিসেবে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
