পোল্ট্রি খামারে সফল নারী উদ্যোক্তা


উদ্যোগ সদর

নিজস্ব প্রতিবেদক

(৩ বছর আগে) ৭ মার্চ ২০২৩, মঙ্গলবার, ৬:০৬ অপরাহ্ন

natoreview

পোল্ট্রি খামারে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা নাটোরের হোসনে আরা বেগম। যার শুরুটা হয়েছিলো একদম স্বল্প পরিসরে। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই বিয়ে হয়। তারপর হাল ধরেন সংসারের। নতুন পরিবেশে নতুন সংসার সাথে লেগে থাকতো নিত্য নতুন অভাব। স্বামী লুৎফর রহমান যখন কোনভাবেই এই অভাবকে দমন করতে পারছিলেন না ঠিক তখনই দৃঢ় মনোবল আর একবুক স্বপ্নকে সঙ্গী করে হাল ধরেন সংসারের।

মাত্র ১০ টি মুরগি দিয়ে স্বল্প পরিসরে শুরু করা সেদিনকার সেই  খামারটি আজ পরিণত হয়েছে বিশাল খামারে। নিজের ভাগ্য ফিরিয়েছেন নিজের চেষ্টা আর অদম্য ইচ্ছা শক্তি দিয়ে। সেদিনকার সেই সাহস আর দৃঢ় মনোবলেই আজ হোসনে আরা বেগমকে একজন  সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করেছে।

নাটোর শহরের উত্তর চৌকিরপার এলাকায় গড়ে তুলেছেন জিশান পোল্ট্রি হ্যাচারী ।বর্তমানে সেই হ্যাচারীতে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার মুরগি। হোসনে আরা জানান, এই খামার থেকে তিনি প্রতিদিন ৪ হাজার ডিম সংগ্রহ করে থাকেন। তার খামারে মোট কর্মচারীর সংখ্যা বর্তমানে ৫০ এর অধিক। দুটি হ্যাচারীতে ৮ মেশিন দ্বারা প্রায় ৩ হাজার বাচ্চা উৎপাদন হয়ে থাকে। সেই বাচ্চা আশেপাশের জেলা গুলোতে সাপ্লাই দিয়ে থাকেন।

ব্যাংক ঋণ নিয়ে এই হ্যাচারীটিকে আরো সম্প্রসারণ ও অনেক মানুষের কর্মসংস্থান করার পাশাপাশি এই খামারটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি এ ব্যাপারে সরকারের প্রয়োজনীয় সহায়তা আশা করেন।

তিনি জানান, এখন হ্যাচারিতে বছরে উৎপাদন হয় ১৫ লাখ মুরগীর বাচ্চা। শুরুটা ছিল একেবারেই অল্প পরিসরে। এখন আমাদের রয়েছে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর হ্যাচারি। প্রতি বছরে এই হ্যাচারি থেকে উৎপাদন হয় ১৫ লাখ মুরগীর বাচ্চা। যা থেকে লাভ কয়েক লাখ টাকা

নাটোরের জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা বলেন, হোসনে আরার এমন উদ্যোগে এলাকাসহ অন্যাব্য অঞ্চলের অনেক নারীরাই অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। আমরাও  বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিম এবং বাচ্চা আনা নেওয়ার জন্য তাকে একটি গাড়ি অনুদান দেওয়া হয়েছে।

উদ্যোগ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ