বড়াইগ্রামের জোনাইল ডিগ্রী কলেজে সংবাদে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এসএম রাজিবুল করিম। নাটোর ভিউ২৪
নাটোরের বড়াইগ্রামে মব সৃষ্টি করে অধ্যক্ষ আবুল আছর মোঃ শফিউজ্জামানকে কলেজে প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই অধ্যক্ষর অভিযোগটি মিথ্যা, বানোয়াট উল্লেখ্য করে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস. এম রাজিবুল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজটির প্রভাষক মাহমুদুল হাসান, আসাদুজ্জামান, আসাদুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস. এম রাজিবুল করিম লিখিত বক্তবে বলেন, দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারনে সাবেক অধ্যক্ষ জনাব আবুল আছর মোঃ শফিউজ্জামানকে কলেজের গভার্নিং বডি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। কিন্তু গত শুক্রবার তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠাকালিন অধ্যাক্ষ দাবী করে সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ করেছিলেন। মূলত তার অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সাল থেকে আমি উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করে এখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন মকছেদুর রহমান। তিনি নাটোর কোর্টে উকালতি পেশায় নিযুক্ত আছেন।
কলেজের শিক্ষক, ছাত্র, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ও এলাকার জন সাধারনের আন্দোলনের মাধ্যমে কলেজের আয় ব্যায়ের হিসাব দাবী করে। তিনি হিসাব না দেওয়ার জন্য গত বছরের সেপ্টেম্বরের ২৬ তারিখে ভোরে তাঁর ব্যবহৃত কক্ষ খুলে হিসাব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যান। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করে। এখানে মব সৃষ্টির কোন ঘটনা ঘটে নাই।
তিনি আরো বলেন, অধ্যক্ষ দির্ঘদিন কলেজে অনুপস্থিতি থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে মৌখিক ভাবে রুটিন দায়িত্ব পালন করতে বলেন। আমি কলেজ পরিচালনা করার জন্য এডহক কমিটি গঠন করার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত কমিটি আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করেন। কলেজের সকল নিয়ম-কানুন মেনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।
অধ্যক্ষ আবুল আছর মোঃ শফিউজ্জামান বলেন, সকল তথ্য প্রমানসহ আমি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছি। আমাকে অন্যায় ভাবে তারা কলেজে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।
