শিক্ষার্থীদের কো-কারিকুলামে অভ্যস্ত করতে হবে : প্রাথমিকশিক্ষা উপদেষ্টা


শিক্ষা সদর

নিজস্ব প্রতিবেদক

(১ বছর আগে) ১৩ মে ২০২৫, মঙ্গলবার, ৮:৩৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৮:০৬ অপরাহ্ন

natoreview

বড়াইগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার রুম টু রিডের সহায়তায় পড়া-লেখা উৎসবে বক্তৃতা করছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায়। ছবি : নাটোরভিউ২৪

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক হতে হবে মানবিক। তবেই শিক্ষার ভীত সুসংহত হবে, পরবর্ত্তীতে শিক্ষার্থী মানবসম্পদে পরিণত হবে। পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কো-কারিকুলামে অভ্যস্ত করতে হবে এবং নৈতিকতার শিক্ষা প্রদান করতে হবে, তাদের মধ্যে দলগত প্রচেষ্টার ধারণা সুসংহত করতে হবে। তবেই শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ ঘটবে, দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্পর্ক মানবিক হলে সারাজীবন শিক্ষার্থী ওই সম্পর্ককে ধারণ করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকেল ৩টায় নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাটোর জেলাা প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের প্রধান শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান, অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. গোলাম নবী।

এর আগে বেলা ১১টায় উপদেষ্টা সব অতিথিদের নিয়ে বড়াইগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘রুম টু রিড’-এর কার্যক্রম পরিদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস ও প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বক্তৃতা করেন।

বড়াইগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রুম টু রিডের সহায়তায় পড়া-লেখা উৎসব ও অভিভাবক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় আরও বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকসহ শিক্ষা বিভাগের উর্দ্ধতন শুন্যপদ পূরণের পাশাপাশি শিখন ঘণ্টা বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া শেখানোর পাশাপাশি তারা যেন সত্যিকার অর্থে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে পারে, সবার সঙ্গে মিলেমিশে জীবন যাপন করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভাল জীবন যাপনের জন্য লেখাপড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু শিক্ষার পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।