গুরুদাসপুরে মাদরাসা মাঠে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা


শিক্ষা গুরুদাসপুর

গুরুদাসপুর প্রতিনিধি

(৭ মাস আগে) ৫ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার, ৬:৪২ অপরাহ্ন

natoreview

গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা খাঁকড়াদহ দাখিল মাদরাসা মাঠে পানি মারিয়ে বাড়ি ফিরছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি : নাটোরভিউ২৪

পুরো মাদরাসা মাঠ জুড়ে থইথই পানি। পানির উপরে জন্মেছে কচুরিপানা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় এমন জলাবদ্ধতা। এতে ডেঙ্গু আতঙ্ক শিক্ষার্থীদের। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা। এমনকি মাদরাসায় আগত অভিভাবকদেরও। এমন চিত্র দেখা গেছে গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা খাঁকড়াদহ দাখিল মাদরাসা মাঠে।

জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের শরীরচর্চা, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে মাঠে নামতে পারছে না। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে পুরো মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন মাদরাসা শিক্ষকরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গুরুদাসপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধারাবারিষা দাখিল মাদরাসা। মাদরাসার পাশেই রয়েছে সড়ক, বাড়ি ও পুকুর। মাদরাসা মাঠটি কয়েক ফুট নিচু। মাঠ নিচু হওয়ার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে জমে যায় পানি। পানিতে সাঁতার কাটছে হাঁস, কচুরিপানা বড় হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা বারান্দা দিয়ে অতিকষ্টে চলাচল করছে। কেউ কেউ হাঁটু পানি মাড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে যাচ্ছে।

মাদরাসার শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া ও তন্নি আক্তার বলে, সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠে পানি জমে যায়। ফলে শ্রেণিকক্ষের বাইরে বের হতে পারি না। জলাবদ্ধতার কারণে মাদরাসার শ্রেনীকক্ষে আবদ্ধ হয়ে থাকতে হয়। মাঠের ঘাস ও আগাছা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, চারপাশে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে মশা বংশবিস্তার করছে। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত নিয়েও আমরা চিন্তিত। আমরা দ্রুত মাদরাসার মাঠে মাটি ভরাটের দাবি জানাচ্ছি।

মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো. ওসমান গনি বলেন, সড়ক ও বাড়িঘরের পানি এসে মাদরাসার মাঠে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারছে না। মাদরাসার মাঠ উঁচু না করা হলে ভোগান্তি আরো বেড়ে যাবে। পাশাপাশি মাঠের পানি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশন এবং মাদরাসা মাঠ ভরাটের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম আকতার বলেন, মাদরাসা মাঠটি পরিদর্শন করেছি। মাঠটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ